জামিয়া ইসলামিয়া ওবাইদিয়া নানুপুর
সচরাচর জিজ্ঞাসা
১. কোন কোন খাতে দান করা যায়?
যাকাত, ফিতরা, সদাকাহ, লিল্লাহ, সাধারণ তহবিল, এতিম ও গরিব ছাত্র সহায়তা, মসজিদ নির্মাণ, মাদরাসা ভবন নির্মাণ, হিফজ বিভাগ, কিতাব বিভাগ, লাইব্রেরি ও কিতাব ক্রয়। আপনার নির্বাচিত খাতেই হিসাব রাখা হয়।
২. কীভাবে অনলাইনে দান বা ফি দেব?
“দান করুন” পাতায় খাত, পরিমাণ ও মোবাইল নম্বর দিন, শর্তাবলীতে সম্মত হয়ে “নিরাপদে দান করুন” চাপুন। কার্ড, বিকাশ, নগদ, রকেট বা ইন্টারনেট ব্যাংকিং — যে কোনো মাধ্যমে SSLCOMMERZ-এর নিরাপদ পেজে পরিশোধ করা যায়। ছাত্র/অভিভাবকরা অনলাইন জামিয়ায় লগইন করে ফি দিতে পারেন।
৩. রসিদ কীভাবে পাব?
পেমেন্ট সফল হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে রসিদ নম্বর দেখানো হয় এবং আপনার মোবাইল/ইমেইলে রসিদ পাঠানো হয়। পরে দরকার হলে অফিসে যোগাযোগ করে রসিদ নিতে পারেন। অফিসে নগদ দিলেও একই ধারার রসিদ দেওয়া হয়।
৪. টাকা কেটে নিয়েছে কিন্তু রসিদ আসেনি — কী করব?
লেনদেন আইডি বা স্ক্রিনশট নিয়ে অফিসে যোগাযোগ করুন। আমরা পেমেন্ট গেটওয়ের সাথে মিলিয়ে দেখব; পেমেন্ট সফল হলে রসিদ দেব, না হলে টাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেরত যাবে।
৫. পেমেন্ট নিরাপদ তো?
হ্যাঁ। পেমেন্ট SSLCOMMERZ-এর এনক্রিপ্টেড পেজে হয়। আপনার কার্ড বা মোবাইল ব্যাংকিং তথ্য আমাদের সার্ভারে জমা থাকে না।
৬. ভুলে বেশি বা দুবার টাকা কাটলে ফেরত পাব?
হ্যাঁ — ৭ দিনের মধ্যে যোগাযোগ করুন। যাচাইয়ের পর অতিরিক্ত অংশ ফেরত বা সমন্বয় করা হবে। বিস্তারিত “ফেরত নীতি”-তে।
৭. ফেরত পেতে কত দিন লাগে?
অনুমোদনের পর অনলাইন পেমেন্টের ফেরত সাধারণত ৭ থেকে ১০ কার্যদিবসে আপনার ব্যাংক বা ওয়ালেটে পৌঁছায়।
৮. যাকাতের টাকা কোথায় খরচ হয়?
যাকাত ও ফিতরা সাধারণ তহবিল থেকে আলাদা হিসাবে রাখা হয় এবং শরয়ী নিয়মে নির্ধারিত খাতে (যেমন যোগ্য এতিম ও গরিব ছাত্রদের খরচে) ব্যয় করা হয়।
৯. বিদেশ থেকে দান করা যাবে?
সব লেনদেন বাংলাদেশি টাকায় প্রদর্শিত হয়। আন্তর্জাতিক কার্ড (Visa, Mastercard ইত্যাদি) দিয়েও পরিশোধ করা যায়; গেটওয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুদ্রা রূপান্তর করে।
১০. যোগাযোগ
ঠিকানা: নানুপুর, ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ। ফোন: ০১৮১৬-৫৩৫৮০০ (শিক্ষা অফিস), ০১৮১৭-২৪৮৭২২ (হিসাব বিভাগ), ০১৮১৯-৩৪৩৯৮০ (প্রধান পরিচালক)। ইমেইল: contact@jamiaislamiaobaidia.com।
সর্বশেষ হালনাগাদ: অক্টোবর ২০২৬
